1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. hostctg@gmail.com : Sports Editor : Sports Editor
  3. Onlynayeemkhanbd@gmail.com : Admin admin : Admin admin
  4. afnafrahel@gmail.com : afnafrahel@gmail.com Sports : afnafrahel@gmail.com Sports
সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৯:৩১ অপরাহ্ন

জাতীয় দলের ফুটবলার এখন সিএনজি চালক!

  • সময় মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৪৫ পঠিত

‘ভাই জীবনে কোনোদিন ভাবিনি সিএনজি চা’লিয়ে জীবন চালাতে হবে। হওয়ার কথা ছিল অনেক টাকার মালিক। অথচ এখন সংসারের ঘানি টানতে চালাতে হচ্ছে সিএনজি’।

দু:খ ভারাক্রা'ন্ত কন্ঠে এক নি:শ্বা'সে কথা গু'লো বললেন জি এম মামুন। ২০০৭ সালে বাংলাদেশের ফুটবলে যুগান্তকারী এক ঘ’টনা ঘটে। একই সময়ে দুই জাতীয় দলকে পাঠানো হয় বিদেশে।

একটি সৈয়দ নইমুদ্দিনের অধীনে ভারতের নেহেরু কাপে। অন্যটি হাসানুজ্জামান বাবলুর কোচিংয়ে খেলতে যায় মালয়েশিয়ার মা'রদেকা কাপে।

সেই মা'রদেকা কাপে বাংলাদেশ দলের সদস্য ছিলেন জি এম মামুন। সে বছরই প্রথম পেশাদার লিগে ঢাকা আবাহনীর, মো হা'মেডান ও মুক্তিযো'দ্ধার বিপক্ষে খুলনা আবাহনীর জয়ের নায়ক ছিলেন তিনি।

মুক্তিযো'দ্ধার পাঁচ জনকে কাটিয়ে গোল করার পরই নইমুদ্দিনের নজরে পড়েন তিনি। এরপর ২০১০ সালে সকার ক্লাব ফেনীর অনুশীলনে হাঁটুতে চোট পাওয়ার পর আর ফিরতে পারেননি ফুটবলে।

সেই প্রচণ্ড ধাক্কার পরই আজ মামুন সিএনজি ড্রাইভার। ভাড়ায় চা’লানো এই বাহন থেকে দিনে যে ৪/৫ শত টাকা পান তা দিয়েই স্ত্রী আর দুই স’ন্তান নিয়ে ক’ষ্টে চলছে মামুনের জীবন।

‘আগে আমা'র টাকায় সংসার চলতো। তিন ভাইয়ের মধ্যে আমিই ছিলাম পরিবারের সবচেয়ে বেশী অর্থ উপার্জনকারী। আমা'র টাকায় বাবার নামে জায়গা জমি কেনা 'হতো।

কিন্তু বাবার মৃ’ত্যুর পর অন্য দুই ভাই আর আমা'র পাশে দাঁড়ায়নি। এক ভাই ডাক্তার। অন্যজন থাকে বিদেশে। তারা সামান্য পরিমাণ টাকাও সাহায্য করে না। এই দু:খের কথা কাকে বলবো।’ বলেন মামুন।

২০০৪ সালে প্রথম বিভাগ ফুটবলে ওয়ারীর হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া এই স্ট্রাইকার বলেন, ইনজুরিতে পড়ে খেলা ছাড়ার পর মুদি দোকান দিয়েছিলাম।

তাতে তেমন লাভ না হওয়ায় পরে ইজিবাইক কিনে তা চা’লিয়ে জীবন চলছিল। পরে তা চু’রি হয়ে যাওয়ায় এখন ভাড়ায় সিএনজি (স্থানীয় নাম ম হে'ন্দ্র) চালাই।

ফুলতলা থেকে রুপসা রুটে চলে আমা'র এই বাহন। ত’থ্য দেন, ২০১১-এর মওসুমের জন্য আমাকে নিতে চেয়েছিল শেখ রাসেল ক্রীড়া চ’ক্র। এই ক্লাবে খেললে আরো এগিয়ে যেতে পারতাম। পাল্টে যেত ফুটবল ক্যারিয়ারই। কিন্তু ইনজুরি সবই শেষ করে দিয়েছে।

দেশে ক’রো'নার শুরুর দিকে লকডাউনের প্রবল প্রভাব পড়েছিল খুলনার ফুলতলাতেও। সে সময় সিএনজি চালাতেও পারছিলেন না মামুন। ‘প্রচণ্ড অর্থ ক’ষ্টে পড়ি।

তখন খুলনা খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে কিছু চাল ডাল কিনে দেয়া হয় আমাকে।’ জানালেন তিনি। ক’ষ্টের সাথে আরো বলেন, ‘আগে যাদের সাথে বসে আড্ডা দিতাম তারা এখন আমা'র এই জীবন দেখে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। না চেনার ভান করে।’

অবশ্য এই ক’ষ্টের মধ্যেও ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা সামান্যতমও কমেনি জি এম মামুনের। ২০১০ সালেই খুলনার ফুলতলাকে চালু করেছেন ফুলতলা ফুটবল অ্যাকাডেমি।

সেই অ্যাকাডেমির ফুটবলার আসিফ শেখ খেলেছেন বাসাবো তরুণ সং'ঘে। চট্টগ্রাম লিগে খেলা সুজন ডাক পেয়েছেন অনূর্ধ্ব-১৬ জাতীয় দলের ক্যাম্পে। এখন এক বেলা সিএনিজি চালান। আর বিকেলে অ্যাকাডেমিতে সময় দেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্পোর্টস গসিপ.কম
Theme Customized By Sports Gossip
error: Content is protected !!