1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. hostctg@gmail.com : Sports Editor : Sports Editor
  3. Onlynayeemkhanbd@gmail.com : Admin admin : Admin admin
শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ০৯:২২ অপরাহ্ন

সবার আইডল মেসি, মেসির আইডল যিনি –

  • সময় মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০২২
  • ৭৫ পঠিত

‘তুমি এখনও অনেক ছোট। ফুটবল নয় পড়া লেখা মনোযোগ দাও।’ আর্জেন্টিনার রিও কুয়ার্তোয় বেড়ে ওঠা শিশুকে তার বাবা এমন কথাই বলেছিলেন। যদিও সেই শিশু এখন পর্যন্ত ফুটবলেই মেতে আছেন।

রিও কুয়ার্তোর স্থানীয় একটি ক্লাবের পর রিভার প্লেটের হয়ে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু। ছোট থেকেই খেলার মান এতটাই চমৎকার ছিল যে আর্জেন্টাইনরা তাকে ডিয়েগো ম্যারাডোনা জুনিয়র বলেও ডাকত।

বর্তমান প্রজন্মের মহাতারকা লিওনেল মেসির আগে তাকেই দ্বিতীয় ম্যারাডোনা হিসেবে দেখা 'হতো। তার নাম পাবলো সিজার আইমা'র জিওডার্নো।

১৬ বছর বয়সে রিভারের সিনিয়র পর্যায়ে খেলতে নামেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দলটির হয়ে পাঁচটি শিরোপা জিতেছেন পাবলো আইমা'র। ৮২ ম্যাচ খেলে গোল করেছেন ২১টি। করিয়েছেন ২৮টি।

অনূর্ধ্ব ১৭ ও ২০ দলের হয়ে খেলার পর ১৯৯৯ জাতীয় দলেও অ'ভিষেক হয় আইমা'রের। ম্যারাডোনার মতো ছোট পায়ে দ্রুতগতির ফুটবল জাদু দেখিয়ে ২০০১ সালে ২৪ মিলিয়ন ইউরোতে যোগ দেন ভ্যালেন্সিয়ায়।

স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে পাঁচ মৌসুমে ১৬২ ম্যাচে ২৭ গোল করেন এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। দুইবার লা লিগা ও সুপার কাপের ট্রফি তুলেন। ইউরোপা লিগেরও চ্যাম্পিয়ন হন। ২০০০/০১ চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে পেনাল্টি শুট-আউটে হারতে হয় তার দলকে।

ভ্যালেন্সিয়ার ঘরের মাঠ স্তাডিও মাসেত্তালার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় হয়ে যান। এই প্লেমেকারের হাত ধরেই দীর্ঘ ৩০ বছর পর স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়ন হবার সৌভাগ্য অর্জন করে দলটি। দলের পক্ষ থেকে ‘দ্য উইজার্ড’ নামে ডাকা 'হতো তাকে।

প্রতিভা দেখে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ম্যারাডোনা নিজেই আইমা'রকে নিজের উত্তরসূরির খেতাব দেন। ২০০৬ সালে রিয়াল জারাগোজায় যোগ দেন। যদিও ইনজুরির কারণে কপাল পুড়েছে তার। হাঁটুর চোটে দুই মৌসুম বেশিরভাগ সময়ই থাকতে হয়েছে সাইডলাইনে।

২০০৮ সালে পর্তুগীজ লিগে পাড়ি জমান। ২০১৩ সাল পর্যন্ত বেনফিকার হয়ে খেলেছেন। দলটির জার্সিতে দ্বিতীয় মৌসুমেই তুলেছিলেন লিগ শিরোপা। আবারও ইনজুরির হানা।

এর পর মালয়েশিয়ান লিগে জহুর দারুল তা’জিমের স'ঙ্গে চুক্তি করেন। ইনজুরির কারণে সুবিধা করতে পারেননি। স্বদেশ ফিরে ২০১৫ পুরাতন দল রিভার প্লেটেও একই অবস্থায় পড়তে হয়। শেষ পর্যন্ত বুট জোড়া তুলে রাখার সি'দ্ধান্ত নেন।

২০০২ ও ২০০৬ বিশ্বকাপ খেলা আইমা'র জাতীয় দলে ৫২ ম্যাচে অংশ নিয়েছেন। গোল তুলেছেন ৫২টি। ২০০৯ সালে ৩০ বছর বয়সী আইমা'র আর্জেন্টিনার জার্সিতে সবশেষ ম্যাচ খেলেছিলেন।

আলবেসিলেস্তেদের বর্তমান অধিনায়ক ও ছয়বারের ব্যালন ডি’ অর জয়ী লিওনেল মেসি বেশ কয়েকবার বলেছেন তার আইডলের নাম। তিনি হচ্ছেন আইমা'র।

অবসরের পর আইমা'রকে মাঠে জাদু দেখানো জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন মেসি।সকার ট্রেনিংকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, ‘পাবলো আইমা'র সব সময়ই আমা'র আইডল ছিলেন। রিভার প্লেটে যখন খেলেছেন তখন থেকে আমি তাকে অনুসরণ করতাম। তার খেলার ভক্ত ছিলাম আমি।’

৪০ বছর বয়সী আইমা'র বর্তমানে আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব ১৭ দলের কোচ। তার হাত ধরে ২০১৯ সালে সাউথ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে দলটি। জাতীয় দলের বর্তমান কোচ লিওনেল স্কালোনির কোচিং স্টাফের অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্পোর্টস গসিপ.কম
Theme Customized By Sports Gossip
error: Content is protected !!