1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. hostctg@gmail.com : Sports Editor : Sports Editor
  3. Onlynayeemkhanbd@gmail.com : Admin admin : Admin admin
  4. editor@sports-gossip.com : Edotpr Edotpr : Edotpr Edotpr
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ

মালয়েশিয়া কর্মী পাঠানো সিন্ডিকেটে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও তার ছেলে জড়িত

  • সময় সোমবার, ২০ জুন, ২০২২
  • ২৩ পঠিত

দীর্ঘদিন ধরেই চলছে মালয়েশিয়া শ্রমিক পাঠানো ইস্যুতে নানা আলোচনা সমালোচনা। চলছে পালটা পালটি বক্তব্য আর নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন। বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক পাঠানোর চুক্তি হওয়ার ৭ মাস অতিবাহিত হলেও আজ অবধি দেশ থেকে শ্রমিক যেতে পারেনি মালয়েশিয়ায়।

দেশটির শ্রমবাজার নিয়ে শুরু থেকেই সিন্ডিকে'টের আশঙ্কা করে আসছিলো বায়রা সিন্ডিকেটবিরোধী মহাজোট। অবশেষে শনিবার (১৮-জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিন্ডিকে'টের মূল হোতাদের নাম প্রকাশ করেন রিক্রুটিং এজেন্সি ঐক্য পরিষদের সভাপতি টিপু সুলতান।

তিনি বলেন, সিন্ডিকে'টের হোতা রুহুল আমিন স্বপনের ৪টি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- পাথ ফাইন্ডার ইন্টারন্যাশনাল-লাইসেন্স নং-১২৯৮, সরকার ইন্টারন্যাশনাল-লাইসেন্স নং-১৭১৫, আমিয়াল ইন্টারন্যাশনাল-লাইসেন্স নং-১৩২৬ ও ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনাল, যার লাইসেন্স নং-৫৪৯। এছাড়া ২৫ লাইসেন্সের মধ্যে ১৪টি নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি।

এক ব্যক্তি কোন ক্ষমতার বলে, কাদের সহযোগিতায় একাই ৪টি এজেন্সিকে সিন্ডিকে'টের অন্তর্ভুক্ত করেছে এ নিয়েও প্রশ্ন খাত সংশ্লিষ্টদের। এর আগেও সিন্ডিকেট করে রুহুল আমিন স্বপন দেশের সাধারণ মানুষদের মালয়েশিয়ায় নেওয়ার কথা বলে নি:স্ব করেছে। এবারও নিজের হাতেই তালিকা তৈরি করে মালয়েশিয়ান মানবসম্পদমন্ত্রীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে চায়।

টিপু আরো বলেন, সিন্ডিকে'টের বাধার মুখে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হচ্ছে না। রুহুল আমিন স্বপনের নিজেরই চারটি লাইসেন্স। চারটি লাইসেন্স একজনের। এটা কী করে হয়? তিনি বলেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহম'দ মনিরুছ সালেহীনের ছেলে রাফিত মালয়েশিয়ার কথিত ২৫ সিন্ডিকে'টের স'ঙ্গে সম্পৃক্ততার অ'ভিযোগ পাওয়া গেছে। ইম্পেরিয়াল রিসোর্সের লাইসেন্স তাদের।

এই কোম্পানির পরিচালক তার ছেলে। এসব কারণে প্রবাসী সচিবকে পদত্যাগ করতে হবে। ১৩ সোর্সকান্ট্রি থেকে যে প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় কর্মী যায় বাংলাদেশ থেকেও একই প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠাতে হবে। ২৫ সিন্ডিকে'টের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠালে অ'ভিবাসন ব্যয় বহুগু'ণ বাড়বে। এতে দেশের সাধারণ কর্মীরা সর্বস্বান্ত হবে এবং দেশটি শ্রমবাজার আবার বন্ধ হবার আশঙ্কা রয়েছে।

জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার সাবেক সভাপতি ও ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহা. নূর আলী আলী বায়রা সিন্ডিকেট বিরোধী মহাজোটের নেতাদের বক্তব্যের স'ঙ্গে একমত পোষষণ করে বলেন, রুহুল আমিন স্বপনকে সহযোগিতা করার মধ্যে দিয়ে সরকারের স্বার্থ কোথায়?

২৫ সিন্ডিকে'টের মধ্যে রুহুল আমিন স্বপনের ৪টি প্রতিষ্ঠান এবং এই ২৫ টি এজেন্সির ১৪টি এজেন্সি তিনি নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমান পরিস্থিতিত রিক্রুটিং এজেন্সি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া উভয় সরকারের হস্ত'ক্ষেপ করা উচিত। পাশাপাশি অ'ভিজ্ঞ এজেন্সিগু'লোকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া উচিত বলেও মনে করি।

বায়রার সাবেক মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান বলেন, গত ২ জুন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী সারাভানান বাংলাদেশ সফরে আসেন এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ই মর'ান আহম'দের স'ঙ্গে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের মিটিংয়ের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের প্রক্রিয়া নিশ্চিত করেন। আ মর'া অত্যন্ত আশাবাদী ছিলাম এই মিটিংয়ের মাধ্যমে সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা হবে।

সিন্ডিকেটবিরোধী মহাজোটের নেতারা বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কথিত ২৫ সিন্ডিকে'টের মাধ্যমে ১০ থেকে ১৫ লাখ কর্মী পাঠানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ২৫ সিন্ডিকে'টের মূলহোতা রুহুল আমিন স্বপনের এক পরিবারের ৪টি লাইসেন্স রয়েছে।

এ ছাড়া ২৫ লাইসেন্সের মধ্যে ১৪টি নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। একই স'ঙ্গে মালয়েশিয়ায় দাতো শ্রী আমিন ও বাংলাদেশের রুহুল আমিন স্বপন সিন্ডিকেট করে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে ১৫টি অযোগ্য, অনভিজ্ঞ এবং নতুন এজেন্সিকে সিন্ডিকে'টের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে রুহুল আমিন স্বপনকে অনৈ'তিক, দুর্নীতি ও বিপুল অর্থের মাধ্যমে ২৫টি এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করার অ'পরাধে কঠোর শাস্তিরও দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দেশের বৈধ ১৫ শ রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যে ২৫টি এজেন্সিকে কিসের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে এবং কোন প'দ্ধতি মানা হয়েছে তাও জানতে চায় বায়রা সিন্ডিকেট বিরোধী মাহাজোট।

একই স'ঙ্গে ২৫ সিন্ডিকেটকে বাদ দিয়ে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সবার জন্য উন্মুক্তেরও দাবি জানান তারা। পাশাপাশি যারা এই সিন্ডিকে'টের স'ঙ্গে জড়িত, অনিয়মের মাধ্যমে তাদের তালিকা দিয়েছে তাদেরও শাস্তির দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বায়রার সাবেক সভাপতি মো হা'ম্ম'দ আবুল বাশার, সাবেক মহাসচিব বীর মুক্তিযো'দ্ধা আলী হায়দার চৌধুরী, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযো'দ্ধা শাহাদাত হোসেন, সাবেক অর্থসচিব মিজানুর রহমান প্রমুখ।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্পোর্টস গসিপ.কম
Theme Customized By Sports Gossip
error: Content is protected !!