1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. hostctg@gmail.com : Sports Editor : Sports Editor
  3. Onlynayeemkhanbd@gmail.com : Admin admin : Admin admin
  4. editor@sports-gossip.com : Edotpr Edotpr : Edotpr Edotpr
বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
১৭ বছরে বিদেশ গেছি, সব কামাই বাবা-মাকে দিছি, আর বাড়ি ফিরে ৫ দিন ভাত পাইনি। বিদেশ থেকে মোবাইল আনার সময় যে তথ্য লুকালে দিতে হবে জরিমানা। পরকীয়া আটকাতে স্ত্রীর গো’পনা’ঙ্গে আঠা দিলেন স্বামী ভালো খেললে মানুষ বাহবা দেবে, আবার খারাপ খেললেও সমালোচনা করবে : লিটন দাস ভারতকে পেছনে ফেলে ৬ ডাকের ইনিংসের ম্যাচে লজ্জার রেকর্ডের পরিবর্তে বিশ্ব রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ ৯ মিনিটের অন্তরঙ্গ, যা জীবনের কাল হয়ে দাড়িয়েছে: বুবলী আজ ২৪ মে মঙ্গলবার, দেখে নিন দিরহাম, ডলার, ইউরো, রিয়াল, দিনার, রিংগিত ও রুপির রেট বাংলাদেশের রিজার্ভ সংকট দেখা দেওয়ায়, প্রবাসীদের কাছে সংবাদ সম্মেলন করে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহবান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী.! সৌদি আরবে গত সপ্তাহে গ্রেফতার বাংলাদেশীসহ ১২ হাজার ৪৫৮ জন অভিবাসী ! দুবাইতে ২৭ শে মে থেকে ২৯ শে মে পর্যন্ত সুপার সেল, মল এবং স্টোরগুলিতে 90% পর্যন্ত ছাড়

নিজেদের ‘অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ’ নিয়ে কৌতুক বাটলার-অশ্বিনের

  • সময় সোমবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৫ পঠিত

দুজনের কেউই যে এভাবে একস'ঙ্গে থাকতে খুব আগ্রহী ছিলেন, এমন নয়। ২০১৯ আইপিএলে জস বাটলারকে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মানকাডিং নিয়ে বিতর্কের পর দুজনের মধ্যে সম্পর্কটা আর যা-ই হোক, একেবারে প্রিয় বন্ধুর মতো নিশ্চয়ই ছিল না।

সেই অশ্বিন আর বাটলারকেই এবার এক ঘরে এনে মিলিয়েছে আইপিএল। বাটলার তো রাজস্থান রয়্যালসেই ছিলেন, এবার অশ্বিনকেও কিনেছে রাজস্থান। মানকাডিং, অশ্বিন, বাটলার…মুখরোচক শিরো'নামের তো আর অভাব হয়নি, তবে অশ্বিন আর বাটলার শুরু থেকেই বলে এসেছেন, তাঁরা বিতর্ক পেছনে ফেলে এসেছেন। তা যে এসেছেন, সেটি আরেকটু স্পষ্ট হলো রাজস্থান রয়্যালসের টুইটারে প্রকাশিত ভিডিওতে।

রয়্যালস র‍্যাপিড ফা’য়ার নামের সেই ভিডিওতে একে অন্যকে প্রশ্ন করেছেন অশ্বিন ও বাটলার। কিছু মজার, কিছু খোঁচা দেওয়া, কিছু শুধুই ক্রিকেটবি'ষয়ক…। সেখানে নিজেদের মধ্যে বিতর্ক নিয়েও কৌতুক করতে ছাড়েননি দুজন। এমনই যে দুজনের সম্পর্কটাকেই মজা করে বলেছেন ‘অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ।’ অশ্বিন শুরুই করেছেন ‘অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ’-এর কৌতুক দিয়ে। ‘তুমি কি ভারতীয় রীতিতে পারিবারিকভাবে বিয়ের ব্যাপারে জানো?’—

অশ্বিনের প্রশ্ন। বাটলার ‘হ্যাঁ’ বলতেই অশ্বিনের কৌতুক, ‘এটাও অনেকটা সে রকম, আ মর'া দুজন একটা অ্যারেঞ্জড ম্যারেজে আছি, এখন কথা বলে একে অন্যকে আরেকটু ভালোভাবে জানব।’ শুনেই হাসেন বাটলার! কৌতুকের হাসি অশ্বিনের মুখেও

এরপর শুরু প্রশ্নোত্তরপর্ব…

অশ্বিন: তোমাকে নেটে খুব কমই ব্যাট করতে দেখি। অনেক থ্রো-ডাউন করো। তা নেটে কোন বোলারকে তোমা'র সবচেয়ে কঠিন মনে হয়েছে?

বাটলার: এই মুহূর্তে আমাকে যদি বলো, আমি কুলদীপ সেনের বোলিংয়ের সামনে না পড়তে চাইব! ও সবচেয়ে দ্রুতগতির।

এরপর বাটলারের প্রশ্নের পালা, ‘ক্রিকেটকে ঘিরে তোমা'র প্রথম স্মৃ'তি কোনটি?’

অশ্বিন: চেন্নাইয়ের একটা একাডেমিতে বড় একটা গাছ আছে। আমা'র মা–বাবা একটা মোটরসাইকেলে করে আমাকে সেখানে নিয়ে যান, আমি কিট

ব্যাগটা সেখানে রাখি। এই তো, ক্রিকে'টে প্রথম স্মৃ'তি এটাই। এখনো চেন্নাই গেলে মাঝেমধ্যে ওই গাছটা দেখতে যাই।

আবার অশ্বিনের পালা, ‘ভক্তদের ঘিরে সবচেয়ে অদ্ভুত স্মৃ'তি কোনটি তোমা'র? কেউ বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে?’

বাটলার: না, সে রকম কিছু নয়। একবার ভারবিয়েরে (সুইজারল্যান্ডের আলপাইন অঞ্চলের একটা গ্রাম) গিয়েছিলাম, কয়েকজন বন্ধু থাকে সেখানে। আ মর'া স্কিইং করব ভাবছিলাম, স্কিইংয়ের সব সরঞ্জাম পরলাম। ভাবছিলাম, এখানে তো আর আমাকে কেউ চিনবে না। কিন্তু হঠাৎ এক লোক এসে পিঠে টোকা দিয়ে বলল, ‘আপনি তো জস বাটলার, তাই না?’ আমি ভাবছিলাম, এই পাহাড়ের চূড়ায় এসে কেউ একজন কীভাবে একজন ক্রিকেটারকে চিনে ফেলল!

অশ্বিন: ভারতে এমনটা সব সময়ই হয়…

বাটলার: ভারতে হয়, সুইজারল্যান্ডে একটু চমকে দেওয়ার মতোই।

অশ্বিনের প্রতি বাটলারের পরের প্রশ্নটা হলো অশ্বিনের চোখে বাটলারের সবচেয়ে পছন্দের পারফরম্যান্স নিয়ে। আইপিএলে যত পারফরম্যান্স দেখেছেন, তার মধ্যে কদিন আগে ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে বাটলারের পারফরম্যান্সের কথা আলাদা করে বলেছেন অশ্বিন। তবে সবার ওপরে রেখেছেন দিল্লিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে বাটলারের ইনিংসকে।

কেন, সে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন অশ্বিন, ‘ওরা শুরুতে সম্ভবত একটা সুযোগ হাতছাড়া করেছে, ১৩তম ওভারে নবীকে নিয়ে এসেছিল বোলিংয়ে। এরপর তুমি মা'র শুরু করলে।’ অশ্বিনের মনে হয়েছিল, সেদিন বাটলারকে ‘কেউ আট'কাতে পারবে না।’

এবার প্রশ্নের সুযোগ পেয়ে অশ্বিন একটু কঠিন প্রশ্নই করলেন বাটলারকে। তিন শব্দে নিজেকে ব্যাখ্যা করো! ইংলিশ ব্যাটসম্যান অবশ্য উত্তরে যে তিনটি শব্দ বলেছেন, সেটি এবারের আইপিএলে তাঁর ব্যাটের ঝড়ের একেবারেই বিপরীত, ‘শান্ত, চুপচাপ, দয়ালু!’ অশ্বিন সেটি নিয়ে মজা করতেই বাটলারের আবার কৌতুক, ‘নিজেকে একটু বড় করে দেখাচ্ছি!’

এরপর ২০১৩ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারতের জয় নিশ্চিত শেষ ওভার আর ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলাকে ফেরানো বলের মধ্যে অশ্বিনকে কোনো একটি বেছে নিতে বলেন বাটলার। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালের শেষ ওভারকেই বেছে নিলেন অশ্বিন

এবার বাটলারকে অশ্বিনের প্রশ্ন, ‘যদি কারও ব্যাটিংয়ের ওপর তোমা'র জীবন- মর'ণের ব্যাপার জড়িয়ে যায়, তাহলে কাকে ব্যাট করতে পাঠাবে?’ উত্তরে ভারতের এক কিংবদন্তিকে টেনে নিয়ে আসেন বাটলার, ‘রাহুল দ্রাবিড়!’ অশ্বিনের পাল্টা প্রশ্ন, ‘কেন?’ বাটলারের সহজ উত্তর, ‘সোজা! তিনি দ্য ওয়াল, কারও বলই তাঁকে পেরিয়ে যাব'ে না। সারা দিন ব্যাট করতে পারবেন।’

এরপর বাটলারের প্রশ্নটি সম্ভবত মানকাডিং বিতর্কের পর এবার অশ্বিন-বাটলারের একই দলে যোগ দেওয়ার পরের সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত প্রশ্ন, ‘রয়্যালস তোমাকে নিলাম থেকে দলে নেওয়ার পর তোমা'র প্রথম অনুভূ'তি কী ছিল?’ অশ্বিনের উত্তর, ‘আমা'র কিছুটা ধারণা ছিল। খুব একটা আশ্চর্য হইনি। আমা'র মনে হয়েছে, যে দল আমা'র জন্য সব সময় নিলামে দর হাঁকিয়েছে, তারা এবারও দর হাঁকাবে। পাশাপাশি তারা জসকে (বাটলার) আমাকে নেওয়ার ব্যাপারে রাজি করিয়েছে (দুজনেরই হাসি)! ওটাই প্রথম ই'ঙ্গিত ছিল আমা'র জন্য।’

এই প্রশ্নের সূত্র ধরেই বাটলারকে অশ্বিনের পরের প্রশ্ন, ‘একটু ল'জ্জাই লাগছে বলতে। আমা'র ব্যাপারে তোমা'র প্রথম ধারণা কী ছিল?’ দুজনের হাসির মধ্যে বাটলারের উত্তর শুরুর আগেই আবার অশ্বিনের কপট ভ'ঙ্গির পরা মর'্শ, ‘ভালো কিছু ভাবো!’ বাটলারের প্রত্যুত্তর, ‘প্রথম ধারণাটা কী ছিল, সেটা তো বলা যাচ্ছে না!’

এরপর অবশ্য একেবারে গু'রুগম্ভীর উত্তরই হলো বাটলারের, ‘আমি বলব তুমি খেলাটা নিয়ে সত্যিকার অর্থেই ভাবো। তোমা'র জানাশোনা অনেক। সব সময়ই উন্নতির কথা ভাবো, নিজের বোলিংয়ে উন্নতি আর কী ভিন্ন উপায়ে বোলিং করা যায় সেটি, খেলার বিচিত্র ধারণা…এসব নিয়ে ভাবো।’

তারপরের প্রশ্নটা মজারই! অশ্বিনকে বাটলার জিজ্ঞেস করলেন, ‘ধরো তুমি তোমা'র ইউটিউব চ্যানেলে আমাকে ডাকলে। আমাকে তোমা'র প্রথম প্রশ্নটা কী হবে?’ শুনেই হাসি অশ্বিনের! কেন, সেটি বোঝা গেল উত্তরে, ‘আমা'র প্রশ্নটা একটু খোঁচারই হবে—(মানকাডিং নিয়ে) নতুন নিয়মের বদলটা নিয়ে কী ভাবছ?’ এবার বাটলারেরও হাসিতে যোগ দেওয়া!

হাসি থামতে অবশ্য গম্ভীর প্রশ্নই করলেন অশ্বিন, কারিগরি দিক নিয়ে প্রশ্ন, ‘অফ স্টাম্পের বাইরের বলকে তুমি কাভারে ছক্কা মা'রো কীভাবে?’ বাটলারের উত্তর, ‘আমা'র সহজাত শট এটা। আমা'র হাত যেভাবে কাজ করে, তার স'ঙ্গে সহজে যায় এটা। মুশতাক আহমেদ আমাকে বলেছিলেন, প্রথমে অফ সাইডে বল মা'রার চেষ্টা করো, তারপর লেগ সাইডে। তুমি যদি লেগ সাইডেই মা'রতে থাকো, তাহলে অফ সাইডে মা'রতে পারবে না।’

আবার অশ্বিনের প্রশ্ন, এবার ব্যক্তিগত, ‘অনলাইন থেকে সর্বশেষ কোন তিনটি জিনিস কিনেছ?’ বাটলারের সহজ উত্তর, ‘ডেইরি মিল্ক চকলেট, আশা করছি দ্রুতই চলে আসবে। আমা'র মেয়ের জন্য একটা জামা কিনেছিলাম, ফ্রোজেন কুইন এলসা, পাঠিয়ে দিয়েছি সেটা। আর সম্ভবত টুথপেস্ট কিনেছিলাম!’

এবার অশ্বিনকে বাটলারের প্রশ্ন, তুমি কোন শব্দটা কথার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করো? অশ্বিনের উত্তরে স্পষ্ট অভ্যাসটা সম্ভবত অনেকের স'ঙ্গেই মেলে, ‘আমা'র কথার মধ্যে ‘‘লাইক’’ শব্দটা অনেক চলে আসে।’

আবার বাটলারকে অশ্বিনের প্রশ্ন, ‘আইপিএলে কোন বোলারকে মা'রতে চাও? এমন কোনো বোলার যাকে দেখলেই মনে হয়, একে ছক্কা মা'রতে হবে!’ বাটলারের উত্তর, ‘মঈন আলী।’ কেন? ‘যাতে পরে একস'ঙ্গে খেলার সময় ওকে খোঁচাতে পারি!’

এবার অশ্বিনের প্রতি বাটলারের প্রশ্ন, ‘আমা'র ব্যাপারে তোমা'র প্রাথমিক ধারণা কী ছিল?’ অশ্বিনের উত্তরে স্পষ্ট, তাঁর ধারণাটা মিলে গেছে, ‘আমা'র সব সময়ই মনে হয়েছে তুমি এমন একজন যে খুব শান্ত স্বভাবের। ম্যাচ শেষ 'হতেই ম্যাচের আবেগ থেকে বেরিয়ে যাওয়া একজন।’ ধারণাটাই সত্যি হয়েছে বলে জানালেন অশ্বিন।

প্রায় ১০ মিনিটের এই ‘জানাশোনার পর্বে’ প্রশ্ন তো আর কম ছিল না! যেমন ক্রিকেটার না হলে কী 'হতে—অশ্বিনের এই প্রশ্ন বাটলার বললেন, ‘পোস্টম্যান!’ শুনে অশ্বিনের সে কী হাসি! দলের পরিবেশ নিয়ে বাটলারের প্রশ্নে অশ্বিন অনেক প্রশংসা করার পর বাটলার যখন ‘হ্যাঁ আসলেই!’ বলছিলেন, অশ্বিন আবার ক্যামেরার পেছনে দেখিয়ে বললেন, ‘ওরা সবাই আমা'দের সামনেই আছে!’

এরপর এল দুজনকে ঘিরে আরেকটি প্রশ্ন। অশ্বিন বাটলারকে জিজ্ঞেস করলেন, দুজনের প্রথম দেখার স্মৃ'তি মনে আছে কি না? বাটলারের উত্তর, ‘অনুশীলনে দেখা। ‘‘কেমন আছ, মৌসুমের জন্য প্রস্তুত’’ জাতীয় প্রশ্ন হলো। সম্ভবত তো মর'া একটা টেস্ট খেলেছিলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, সেটি নিয়ে কথা হলো।’

তার পরের প্রশ্নে আবার মানকাডিং নিয়ে খোঁচাখুঁচি! অশ্বিন বাটলারকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি তোমাকে এক ওভার করছি, তুমি কত রান নেবে?’ স'ঙ্গে শর্ত যোগ করছিলেন অশ্বিন, ‘কোনো নো বল থাকবে না…ম্যাচের সপ্তম ওভার…পরের ওভারেই বিরতি।’ এর মধ্যে বাটলারের ফোড়ন, ‘মানকাডিংও থাকবে না!’ হাসির মধ্যেই অশ্বিন বুঝিয়ে দিলেন, স্ট্রাইকে থাকা বাটলারকে মানকাড করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হবে না, তবে এ-ও জানিয়ে দিলেন, ‘যদি করতে পারতাম!’ দুজনের আবার হাসি! এর মধ্যে উত্তরে মোটেই ব্যাট হাতের ভয়ংকর বাটলারকে খুঁজে পাওয়া গেল না। অশ্বিনের ওভারে একটি বাউন্ডারিসহ ৯-১০ রানই নেওয়ার কথা ভাবছেন তিনি!

কোন জায়গায় মা'রবেন বাউন্ডারি, কোন দেশের মাঠে? অশ্বিনের প্রশ্নে বাটলারের উত্তর, ‘অস্ট্রেলিয়ায়। রিভার্স সুইপ করে!’

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্পোর্টস গসিপ.কম
Theme Customized By Sports Gossip
error: Content is protected !!