1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. hostctg@gmail.com : Sports Editor : Sports Editor
  3. Onlynayeemkhanbd@gmail.com : Admin admin : Admin admin
  4. editor@sports-gossip.com : Edotpr Edotpr : Edotpr Edotpr
বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজঃ চমক দেখিয়ে এনামুল,সাব্বির,ইমরুলদের নিয়ে বিশেষ ঘোষণা দিলো বিসিবি

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৫ পঠিত

ব্রেকিং নিউজঃ চমক দেখিয়ে এনামুল,সাব্বির,ই মর'ুলদের নিয়ে বিশেষ ঘোষণা দিলো বিসিবি

একসময়ের জনপ্রিয় ক্রিকেটার সাব্বির রহমান দীর্ঘ সময় ধরেই জাতীয় দলে নেই। প্রত্যাশিতভাবেই সুযোগ পাননি চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলেও।

ইদানিং পাড়ার ক্রিকেটও খেলছেন।তবে পিছিয়ে পড়লেও দমে যেতে চান না মা'রকুটে এই ব্যাটসম্যান। জাতীয় লিগে সা মর'্থ্যের প্রমাণ রেখে ফিরতে চান আগামী বছর অনুষ্ঠেয় অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে।

সম্প্রতি গণমাধ্যমের স'ঙ্গে আলাপকালে সাব্বির বলেন, ‘এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যেহেতু খেলতে পারিনি অবশ্যই পরের বছরের বিশ্বকাপটা আমা'র টার্গেটে আছে।’

তিনি আরও বলেন, জাতীয় লিগে যদি ভালো করতে পারি, তাহলে অবশ্যই আমা'র জন্য বিশ্বমঞ্চে সুযোগ থাকবে। লাল-সবুজের জার্সিতে এখন পর্যন্ত আইসিসির পাঁচটি বৈশ্বিক ইভেন্টে খেলেছেন সাব্বির রহমান।

যেখানে যুব বিশ্বকাপের স'ঙ্গে খেলেছেন ২০১৫ ও ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিও।

এবারের বিশ্বকাপে সুযোগ না পেলেও এটাকে তিনি নিচ্ছেন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই। যদিও ১৭ অক্টোবর হওয়া লিগে প্রথম রাউন্ড খেললেও নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি তিনি।

দুই ইনিংস মিলে রান করেছেন মাত্র ২৬। এরপর দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলা হয়নি। সাব্বির জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন ২০১৯ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে।

২০১৮ সালে ভারতের বিপক্ষে ৭৭ রানের ইনিংস বাদ দিলে হাফ সেঞ্চুরি নেই একটিও। এক ম্যাচ বাদ দিয়ে বাকি ৮ ম্যাচের একটিতেও ৩০ রানের কোটা পেরোতে পারেননি।

দুবার আউট হয়েছেন রানের খোতা খোলার আগেই। বাংলাদেশের হয়ে ৪৪টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন সাব্বির। ৪৩ ইনিংসে ব্যাটিং করে তার সংগ্রহ ৯৪৬ রান।

ব্যাটিং গড় ২৪.৮৯ এবং স্ট্রাইকরেট ১২০.৮২। অর্ধশতক আছে চারটি।অন্যদিকে ই মর'ুল কায়েস দেশের হয়ে টি-টোয়েন্টি খেলেছেন মাত্র ১৪টি, সবশেষ ম্যাচটি ৪ বছর আগে ২০১৭ সালে।

হাফ সেঞ্চুরি নেই একটিও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলা ৩৬ রানের ইনিংস তার ক্যারিয়ার সেরা। ব্যাটিং গড় মাত্র ৯.১৫, স্ট্রাইকরেট ৮৮.৮১। টি-টোয়েন্টিতে খুব বেশি সুযোগও পাননি।

সবমিলিয়ে ই মর'ুল বাংলাদেশের দুর্ভাগা ক্রিকেটারদেরই একজন। কখনোই ‘প্রথম পছন্দ’ হিসেবে দলে আসেন না তিনি। কখনোই তাকে এই বলে নির্ভার খেলতে দেওয়া হয় না যে, ‘পরের ১০টি ম্যাচে তুমি খেলবে।’

ই মর'ুল যত ম্যাচ খেলেছেন তার বেশির ভাগই অন্য খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতির কারণে। ২০১৫ সালে যেমন শুরুতে দলে না থেকেও ‘বিশ্বকাপ’ খেলা হয়ে গিয়েছিল তার।

২০১৯ সালে এসে তার ক্যারিয়ারে মোটামুটি স্থায়ী যতি চিহ্নই পড়ে গিয়েছিল। সেই ই মর'ুলকে আশার আলো দেখিয়ে আবার অন্ধকারে ছুঁড়ে ফেলাটা বোধহয় তার প্রতি একটু নির্দয় আচরনই।

আর তাতে ফুটে উঠল টিম ম্যানেজমেন্ট এবং নির্বাচক কমিটির চিন্তার দৈন্যতাও। এদিকে ক্রিকেটবিশ্ব এখন বাবর আজমে মুগ্ধ।পাকিস্তানের তিন ফরম্যাটের এই অধিনায়ক আরও অনেক রেকর্ড গড়বেন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির কিংবদন্তি ইনজামাম-উল হক।

বাবর বন্দনায় যখন ব্যস্ত গোটা ক্রিকেটবিশ্ব, তখন যে তথ্যটি সামনে আসে সেটি হল কোনো একসময় ওয়ানডেতে এই বাবর আজমকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটার এনামুল হক বিজয়।

সমানসংখ্যক ম্যাচ খেলে বাবরের চেয়ে ৭৮ রান বেশি করে বিজয় হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা রান সংগ্রাহক। ঘটনাটি ২০১২ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের।

পরিসংখ্যান বলছে- সেই বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচে ৬০.৮৩ গড়ে বিজয় করেছিলেন ৩৬৫ রান।তার স্ট্রাইকরেট ছিল ৮৫.০৮। ছয় ম্যাচের একটিতে ১২৮ রানের একটি অনবদ্য ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন বিজয়।

অন্যদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হয়েছিলেন বাবর আজম।৫৭.৪০ গড়ে ও ৬৫.৫২ স্ট্রাইকরেটে বাবর সংগ্রহ করেছিলেন ২৮৭ রান।

বাবরকে পেছনে ফেলা বিজয় এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকে'টের বাইরে বহুদিন। তার জাতীয় দলে ফেরা নিয়েই সংশয় রয়েছে।এনামুল হক বিজয়ের টি-টোয়েন্টি গড়ও খারাপ না।

১৩ ম্যাচে ৩২ গড়ে করেছেন ৩৫৫ রান। স্ট্রাইক রেট ১১৭। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ আর ঘরের মাঠের পারফরম্যান্স দেখে ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের অনেকেই দাবি করছেন টাইগারদের বর্তমান দলটিতে অ'ভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের বড় অভাব দেখা দিয়েছে।

তাই টি-টোয়েন্টিতে আন্তর্জাতিকে অ'ভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সুযোগ করে দেওয়া হোক। যেখানে থাকবে তরুণ-অ'ভিজ্ঞ সমন্বয়।এদিক বিবেচনায় নিঃসন্দে'হে সাব্বির-এনামুল-ই মর'ুলদের মতো অ'ভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের অভাব বোধ করছে বাংলাদেশ।

যদিও এই তিন ক্রিকেটারের জাতীয় দলে ঢোকা এখন বেশ চ্যালেঞ্জিং।পারফরম্যান্সের প্রমাণ দিয়েই দলে ঢুকতে হবে। অর্থাৎ দলে ফিরতে হলে সাত সমুদ্র তের নদী পাড়ি দিয়েই আসতে হবে তাদের সেটি বলার অ'পেক্ষা রাখে না।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্পোর্টস গসিপ.কম
Theme Customized By Sports Gossip
error: Content is protected !!