1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. hostctg@gmail.com : Sports Editor : Sports Editor
  3. Onlynayeemkhanbd@gmail.com : Admin admin : Admin admin
  4. editor@sports-gossip.com : Edotpr Edotpr : Edotpr Edotpr
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:০৯ অপরাহ্ন

অবিশ্বাস্য সব মিল রয়েছে পাকিস্তানের দুই হৃদয় ভাঙার ম্যাচে

  • সময় শুক্রবার, ১২ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩০ পঠিত

অবিশ্বা'স্য সব মিল রয়েছে পাকিস্তানের দুই হৃদয় ভাঙার ম্যাচে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে ধা'রাবাহিক দল পাকিস্তান- এমনটা দাবি করা হলে এর পক্ষে

জোরালো যুক্তিই দিতে পারবেন যে কেউ। কুড়ি ওভারের শ্রেষ্ঠত্বের আসরে সবচেয়ে বেশিবার সেমিফাইনাল

খেলেছে তারা, ফাইনালও খেলেছে দুইবার, শিরোপা জিতেছে একবার। অথচ একটু এদিক-ওদিক হলেই

পাকিস্তানের ফাইনাল 'হতে পারতো চারটি। কিন্তু তা হয়নি অস্ট্রেলিয়ার কারণে। ২০১০ সালের পর

২০২১ সালের আসরেও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছে পাকিস্তানকে, পুড়তে হয়েছে হৃদয় ভাঙার বেদনায়।

পাকিস্তানের এ দুই সেমিফাইনাল ম্যাচে রয়েছে অবিশ্বা'স্য কিছু মিল। ২০১০ সালের আসরে আগে ব্যাট করে ১৯১ রানের পাহাড়ে চড়েছিল পাকিস্তান।

কিন্তু সাঈদ আজমলের করা শেষ ওভারে তিন ছয় ও এক চার হাঁকিয়ে ২২ রান তুলে এক বল আগেই ম্যাচ শেষ করে দেন মাইক হাসি।

এবার ১১ বছর তথা প্রায় এক যুগ পর মাইক হাসির জায়গায় বসলেন ম্যাথু ওয়েড আর বোলিংয়ে রইলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। শেষের নয় বলে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ছিল ১৮ রান। শাহিনের পরপর তিন বলে তিন ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচটি জিতে নিয়েছেন ম্যাথু ওয়েড।

এ দুই ম্যাচেই টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সি'দ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক; ২০১০ সালে মাইকেল ক্লার্ক, ২০২১’এ অ্যারন ফিঞ্চ। দুটি ম্যাচেই পাকিস্তানের পক্ষে ইনিংস সূচনা করেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার এবং দুজনই পান ফিফটির দেখা। প্রথমটিতে কা মর'ান আকমল (৫০), পরেরটিতে মো হা'ম্ম'দ রিজওয়ান (৬৭)।

পাকিস্তানের হয়ে তিন নম্বরে নামা ব্যাটাররা দুই ম্যাচেই খেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস এবং দুজনের ইনিংসেই দেখা গেছে চারটি করে ছয়ের মা'র। ২০১০ সালে তিনে নেমে ৫৬ রান করেন উ মর' আকমল, ১১ বছর পর ফাখর জামান খেলেন ৫৪ রানের ইনিংস।

এছাড়াও দুইটি ম্যাচেই পাকিস্তানের প্রথম উইকে'টের ক্যাচটি তালুবন্দী করেন ডেভিড ওয়ার্নার।

মিল রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসেও। দুই ইনিংসেই অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনারের একজন আউট হন শূন্য রান করে, প্রথমবার ডেভিড ওয়ার্নার আর এবার অ্যারন ফিঞ্চ। দুই ম্যাচেই সমান ৫ রানের ইনিংস খেলেন স্টিভেন স্মিথ। তবে ২০১০ সালে তিনি নেমেছিলেন আট' নম্বরে, এবার চার নম্বরে।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুইটি ম্যাচেই চল্লিশোর্ধ্ব রানের ইনিংস খেলেন ছয় ও সাত নম্বরে নামা ব্যাটার। প্রথমবার ক্যামেরন হোয়াইট (৪৩) ও মাইক হাসি (৬০*)। এবার মা'র্কাস স্টয়নিস (৪১*) ও ম্যাথু ওয়েড (৪৯*)। এ দুই ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার জয়সূচক শট খেলেন সাত নম্বরে নামা ব্যাটাররা এবং তারাই জেতেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।

সর্বোপরি ২০১০ সালের মতো ২০২১ সালের অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান ম্যাচটি ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্পোর্টস গসিপ.কম
Theme Customized By Sports Gossip
error: Content is protected !!