1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. hostctg@gmail.com : Sports Editor : Sports Editor
  3. Onlynayeemkhanbd@gmail.com : Admin admin : Admin admin
  4. editor@sports-gossip.com : Edotpr Edotpr : Edotpr Edotpr
শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন

দক্ষিণ আফ্রিকার আরেকটি হতাশার কারণ বাংলাদেশ?

  • সময় সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৮ পঠিত

দক্ষিণ আফ্রিকার আরেকটি ব্যর্থ মিশনছবি: এএফপি

কাল রাতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ এক জয় পেয়েও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা। একটি করে আইসিসি টুর্নামেন্ট আসবে, দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যর্থ হবে—এটিই যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে, নয়তো এবারও সুপার টুয়েলভে গ্রুপে অস্ট্রেলিয়ার সমান চারটি ম্যাচ জিতেও সেমিতে উঠতে পারবে না কেন প্রোটিয়ারা!

যেকোনো আইসিসি টুর্নামেন্ট মানেই দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য হাহাকার আর আ'ক্ষেপ। ১৯৯২ সাল থেকে শুরু। এরপর সীমিত ওভারের ক্রিকে'টের বিশ্ব আসর তো কম হয়নি। মাঝে একমাত্র ১৯৯৮ সালে আইসিসি আয়োজিত মিনি বিশ্বকাপ জেতার সুখস্মৃ'তি আছে দক্ষিণ আফ্রিকার। এর বাইরে আইসিসির টুর্নামেন্ট মানেই যেন দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য বেদনাবিধুর গল্পগাথা, না পাওয়ার দীর্ঘশ্বা'স।

১৯৯২ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার নিশ্চিত জয় কেড়ে নিয়েছিল বৃষ্টি আর উদ্ভট বৃষ্টি আইন। এরপর ১৯৯৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়যাত্রা থামালেন ব্রায়ান লারা। ১৯৯৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে সেই ভৌতিক মুহূর্ত। ল্যান্স ক্লুজনার আর অ্যালান ডোনাল্ডের শেষ বলে জয়সূচক রান নিতে গিয়ে ‘ব্রেন ফেড’ হওয়া। পরেরবার ২০০৩ সালে নিজেদের মাঠে আবারও বৃষ্টি আইনের থাবা। এবার ক্যালকুলেটরে ঠিকঠাক হিসাব মেলাতেই গরমিল করে ফেলল তারা। আইসিসি টুর্নামেন্ট দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য অ'ভিশাপ, এমন কিছু কেউ বললে, তাকে খুব একটা দোষ দেওয়া যায় না। এরপর ওয়ানডে বিশ্বকাপে ২০০৭, ২০১১, ২০১৫, ২০১৯—আরও চারটি আসর খেলেও কান্নাই হয়েছে প্রোটিয়াদের স'ঙ্গী।

২০০৭ সাল থেকে শুরু হলো টি-টোয়েন্টি ক্রিকে'টের বিশ্বকাপ। দক্ষিণ আফ্রিকার গল্পটা বদলায়নি। তবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের তুলনায় টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য প্রোটিয়াদের হৃদয় ভাঙার কষ্টটা কিছুটা হলেও সহনীয়। দক্ষিণ আফ্রিকাকে সবচেয়ে বেশি পুড়িয়েছে ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭ রানে হেরেছিল তারা। এরপর ২০১৪ সালে এসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলা হলেও ভারতের কাছে ৬ উইকে'টে হেরে স্বপ্নভ'ঙ্গ হয় তাদের। এর বাইরে ২০০৭, ২০১০, ২০১২ ও ২০১৬–তে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যর্থতার ধরনটা একই। কোনোবার সুপার এইট অথবা কোনোবার সুপার টেনেই শেষ হয়েছে তাদের বিশ্বকাপযাত্রা।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শুরুটা ভালো হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে বাজে ব্যাটিংটা ভোগায় তাদের, যদিও লড়াই হয়েছে। কিন্তু ম্যাচটা জিততে পারেনি টেম্বা বাভুমা'র দল। তবে এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সহজে হারালেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদের জিততে হয়েছে শেষ ওভারে এসে। এবার অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য সবচেয়ে বড় ‘কাল’ হয়েছে বাংলাদেশই। আবুধাবিতে বাংলাদেশকে ৮৪ রানে অলআউট করেও দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাট হাতে উড়িয়ে জিততে পারেনি ম্যাচটা। ৬ উইকে'টে জয় পেলেও সে ম্যাচের প্রত্যাশামতো রানরেট বাড়িয়ে নিতে না পারার ব্যর্থতাই কি ডোবাল তাদের! কাল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কাগিসো রাবাদার হ্যাটট্রিক আর ভালো এক জয়ের পর বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি সহজে জিততে না পারার ব্যর্থতাটাই সামনে চলে আসছে।

বিখ্যাত ধা'রাভাষ্যকার নাসের হুসেইন কাল ম্যাচের ধা'রাভাষ্যে এটিই উল্লেখ করেছেন। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে কতটা ভালোভাবে হারানো গেল, এটি নিয়েই যেন প্রতিযোগিতা হলো অস্ট্রেলিয়া আর দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে। সে লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া পরিষ্কার ব্যবধানেই এগিয়ে। বাংলাদেশকে ৭৩ রানে অলআউট করে তারা ম্যাচটি জিতেছিল ৬.২ ওভারেই। আর দক্ষিণ আফ্রিকার ৮৪ রান পেরোতে খেলতে হয়েছে ১৩.৩ ওভার।

এমন ছোট ছোট দীর্ঘশ্বা'সই যে আইসিসি টুর্নামেন্টে দক্ষিণ আফ্রিকার চিরদিনের স'ঙ্গী। এটাই যেন তাদের নিয়তি!

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্পোর্টস গসিপ.কম
Theme Customized By Sports Gossip
error: Content is protected !!