1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. hostctg@gmail.com : Sports Editor : Sports Editor
  3. Onlynayeemkhanbd@gmail.com : Admin admin : Admin admin
  4. editor@sports-gossip.com : Edotpr Edotpr : Edotpr Edotpr
শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে হিসেব কঠিন হয়ে গেল ভারতের

  • সময় রবিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৪ পঠিত

সেমিফাইনালে ওঠাটা আর ভারতের নিজেদের হাতে থাকল না ছবি: এএফপি

অলিখিত ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’ ছিল ম্যাচটি। নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হেরেছে ভারত-নিউজিল্যান্ড দুই দলই। সেমিফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে তাই জয়ের বিকল্প ছিল না কারওরই। এমন সমীকরণই যেন ভ'য়াবহ চাপ হয়ে এল বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মা'দের ভারতের কাছে। দুবাইয়ে নিউজিল্যান্ডের বোলিংয়ের সামনে দিশেহারা হয়ে বাঁচা- মর'ার ম্যাচটি নিউজিল্যান্ডের হাতেই তুলে দিল ভারত। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্বি'ষ ব্যাটিংয়ে স্কোরবোর্ডে ১১০ রান তোলার পর কেইন উইলিয়ামসনের দলের কাছে তারা হেরেছে ৯ উইকে'টের বিশাল ব্যবধানে। এ হারে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের হিসেব-নিকেশ কঠিন হয়ে গেল ভারতের।

টসটা গু'রুত্বপূর্ণই প্রমাণিত শেষ পর্যন্ত। দুবাইয়ের উইকে'টে টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে বাজিমাত নিউজিল্যান্ডের। তবে উইকে'টের আলোচনা টেনে নিউজিল্যান্ডের দুর্দান্ত বোলিংকে আড়াল করার কোনো মানে হয় না। অসাধারণ বোলিং করেছেন কিউই বোলাররা। ট্রেন্ট বোল্ট তো ছিলেন অসাধারণ। টিম সাউদি, মিচেল স্যান্টনার, ইশ সোধি কাকে ছেড়ে কার কথা বলা যায়! ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকে হাঁসফাঁ'স করেছেন। লোকেশ রাহুলের স'ঙ্গী হয়ে আজ মাঠে নামা ঈশান কিষান প্রথম শিকার। এরপর একে একে রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল, বিরাট কোহলিরা শামিল ছিলেন আসা-যাওয়ার মিছিলে। তবে উইকেট হারানোর চেয়েও দৃষ্টিকটু ছিল আইপিএল খেলে অ'ভিজ্ঞ ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিংয়ের ধরন। ভাবায় যায় পাওয়ার প্লে’র পর টানা ৭১ বল কোনো বাউন্ডারি পাননি ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। এতটা নেতিবাচক ব্যাটিং টি-টোয়েন্টিতে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে শেষ কবে দেখা গেছে, এটা গবেষণার বি'ষয় 'হতে পারে। রাহুল ১৬ বল খেলে ১৮ রান করে ফেরেন সাউদির বলে ড্যারেল মিচেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে। কিষানকে ফেরান বোল্ট, সেই ক্যাচও নিয়েছেন ড্যারেল মিচেল।

রোহিত শর্মাকে ফেরান সোধি। কিউই লেগ স্পিনারের ফাঁ'দে পা দেন বিরাট কোহলিও। তিনি বোল্টের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ভারতীয় অধিনায়ক যখন ফেরেন তখন ১১তম ওভারে ভারতের স্কোর পঞ্চাশও পার হয়নি—আউট হয়ে ফিরেছেন দলের শীর্ষ প্রায় সব ব্যাটসম্যানই। এরপরেও ঋষভ পন্ত আশা হয়ে ছিলেন, হার্দিক পান্ডিয়াও হাত খুলতে পারেন। কিন্তু তারা আজ কিছুই করতে পারেননি, রীতিমতো ধুঁকেছেন। পন্ত ১২ রান করতে খেলেছেন ১৯ বল। তাঁর অস্বস্তির সমাপ্তি ঘটান অ্যাডাম মিলনে, বোল্ড করে। পান্ডিয়া ২৪ বলে ২৩ করে আউট হন বোল্টের বলে, মা'র্টিন গাপটিলের ক্যাচ হয়ে। তবে ভারতের মান বাঁচিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি ১৯ বলে ২৬ রান না করলে যে কী 'হতো! ভারতের ইনিংস একশ পেরোতো কিনা সন্দে'হ! ভারতের ইনিংসে বাউন্ডারি হয়েছেন ৮টি, ছক্কা ২টি। ৭১ বল বাউন্ডারি-শূন্য ভারতের বাউন্ডারি-খরা কা'টান জাদেজাই। শেষ দিকে তাঁর ব্যাট থেকে আসা দুটি বাউন্ডারি আর একটি ছক্কাই ভারতের সংগ্রহ ১১০-এ নিয়ে যায়।

নিউজিল্যান্ডের সেরা বোলার ছিলেন বোল্টই। তিনি ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। সোধি ছিলেন আরও কৃপণ। তিনি ৪ ওভারে ২ উইকেট নিয়েছেন মাত্র ১৭ রান খরচ করে। আরেক কিউই পেসার টিম সাউদি ২৬ রান দিয়েছেন ৪ ওভারে, নিয়েছেন একটি উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন অ্যাডাম মিলনে।

১১১ রানের মামুলি লক্ষ্য। কিন্তু নিউজিল্যান্ডও শঙ্কায় ছিল। ভারতীয় পেস বোলার যশপ্রীত বু মর'া হু’মকি ছিলেন কিউইদের। তিনি তাঁর কাজটা ভালোই করেছেন। ১৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। কিন্তু কেইন উইলিয়ামসন, মা'র্টিন গাপটিল, ড্যারেল মিচেলদের ব্যাট কথা বলেছে ভারতের অন্য বোলারদের বলে। গাপটিলের শুরুটা ছিল ইতিবাচকই। তিনি ১৭ বলে ২০ রান করে বু মর'ার বলে মিসহিট করে শার্দুল ঠাকুরের হাতে ধ’রা পড়েন। গাপটিলের ফেরা আশা জাগিয়েছিল, কিন্তু উইলিয়ামসন আর ড্যারেল মিচেল সেই আশা শেষ করে দেন, দারুণ ব্যাটিংয়ে। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫৪ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েই শেষ করে দেন ম্যাচটা। মিচেলের অবশ্য আ'ক্ষেপ 'হতেই পারে। এমন একটা ইনিংস খেলেও মাইলফলক ছোঁয়ার আনন্দটা পাননি বলে। দলের জয়টা যখন নিশ্চিতই, তখনই ৩৫ বলে ৪৯ রান করে বু মর'ার বলে লোকেশ রাহুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। উইলিয়ামসন অবশ্য ছিলেন অবিচল। ৩১ বলে ৩৩ করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি।

ভারতীয় বোলারদের মধ্য বরুণ চক্রবর্তী ভালোই বোলিং করেছেন। ৪ ওভারে দিয়েছেন ২৩। কিন্তু সেটি দলের জন্য যথেষ্ট হয়নি। বু মর'া ৪ ওভারে ২ উইকেট নিয়েছেন ১৯ রান দিয়ে। রবীন্দ্র জাদেজা ছিলেন খরচে, তিনি ২ ওভারে দিয়েছেন ২৩। মো হা'ম্ম'দ শামি আজও নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। একমাত্র ওভারে ১১ রান দেওয়ার পর তাঁকে আর আ'ক্রমণে আনারই সাহস পাননি কোহলি। ভুবনেশ্বর কুমা'রের বদলে দলে আসা শার্দুল ঠাকুর ৯টি ডেলিভারিতে দিয়েছেন ১৭ রান। হার্দিক পান্ডিয়াও ছিলেন খরচে, ২ ওভারে তিনি দিয়েছেন ১৭।

টানা দুই হারে ভারতের সেমিফাইনালে খেলাটা কার্যত কঠিনই হয়ে গেল। কোনো কিছুই এখন আর তাদের হাতে নেই। এর পরে স্কটল্যান্ড, আফগানিস্তান ও নামিবিয়ার বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ ভারতের। সে তিনটি ম্যাচ জিতলেও ভারতকে তাকিয়ে থাকতে হবে অনেক হিসাব-নিকাশের দিকে। ‘যদি’, ‘কিন্তু’র সমীকরণ না মিললে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল অধ’রাই থাকবে ভারতের।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্পোর্টস গসিপ.কম
Theme Customized By Sports Gossip
error: Content is protected !!