1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. hostctg@gmail.com : Sports Editor : Sports Editor
  3. Onlynayeemkhanbd@gmail.com : Admin admin : Admin admin
  4. editor@sports-gossip.com : Edotpr Edotpr : Edotpr Edotpr
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দ্বিতীয় ম্যাচেও হেরে গিয়ে বাদ পড়ার শঙ্কায় চ্যাম্পিয়নরা অনেক মেয়েই আমাকে কিউট বলে’ হাফিজের অবিশ্বাস্য ক্যাচ নিলেন কনওয়ে; শতাব্দীর সেরা তালিকায় রাখছেন ভক্তরা! (ভিডিও) বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে জয় স্মরণীয় করে রাখতে ২৫০ শিশুর পড়াশোনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিলেন বাবর আজম লিটন আমাদের দলের মূল ক্রিকেটার। দুইটা ক্যাচ ছাড়াতেই লিটন দাসের অবদান শেষ হয়ে যায়নি : ওটিস গিবসন পাকিস্তানের অলিতে গলিতে বরুণের মত বোলার ঘুরে বেড়ায়! Md Rakib হার্দিককে নিয়েই ভুল করেছে ভারত: ইনজামাম দুঃসময়ে টিম ম্যানেজমেন্টকে পাশে পাচ্ছেন লিটন সকল সমালোচনা কে পিছনে ফেলে উড়েয়ে দিতে হবে ইংল্যান্ডকে এবার মাশরাফির মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন কোচ গিবসন

দেশম, এমবাপ্পের বিতর্কিত সেই গোলের নিয়মই জানতেন না

  • সময় বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪৪ পঠিত

দেশম, এমবাপ্পের বিতর্কিত সেই গোলের নিয়মই জানতেন না

কীভাবে?

নেশনস লিগ ফাইনালে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলের পর বেশির ভাগের এই প্রশ্ন।

গোলটা কীভাবে হলো? এমবাপ্পে অফসাইড, নিশ্চিত ছিলেন অনেকেই।

কিন্তু ৮০ মিনিটে করা সেই গোল মাঠের রেফারি থেকে ভিডিও অ্যাসিসট্যান্ট রেফারি (ভিএআর)

প্রযুক্তি বৈধতা দেওয়ায় ২–১ ব্যবধানের জয়ে শিরোপা জিতে নেয় ফ্রান্স।

স্প্যানিশদের গায়ে তাই জ্বলুনি তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। ওই গোলেই যে হারতে হলো ফাইনালে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমও বসে নেই। বিতর্কিত সেই গোল নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে।

মা'দ্রিদভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘চিরিনগিতো’র সংবাদকর্মী আবার এক কাঠির সরেস। পরশু সান সিরোয় ফাইনালের পর ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশমকে মিলান বিমানবন্দরে পেয়ে যান সেই প্রতিবেদক।

খুব স্বাভাবিকভাবেই এমবাপ্পের বিতর্কিত গোলটি নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন তিনি, ‘গোলটি অফ সাইড ছিল কি না?’ দেশম না সূচক মাথা নাড়েন। এরপর সংবাদকর্মীটি জানতে চান, ‘আপনি তা মনে করছেন না। নিয়ম তো জানা আছে…আ মর'া পরে দেখেছি।’

দেশম জবাব দেন, ‘আমি (নিয়ম) জানতাম না।’ সংবাদকর্মীটি নিশ্চিত 'হতে জানতে চান, ‘আপনি কি নিয়মের কথা বলছেন?’ দেশম বলেন, ‘হ্যাঁ, নিয়ম।’ সংবাদকর্মী ও দেশমের মধ্যে আলাপচারিতার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন চিনিগিতো।

অর্থাৎ, এমবাপ্পের গোলটি কোন নিয়মের অধীনে বৈধ গোলের অনুমোদন পেয়েছে, দেশম তা জানতেন না। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ১০ মিনিট আগে থিও হার্নান্দেজের পাস থেকে স্পেনের রক্ষণভাগের অফ সাইড ফাঁ'দ ভেঙে গোলটি করেন এমবাপ্পে।

ফ্রান্সের খেলোয়াড়েরা অফ সাইডের দাবি তুলেছিলেন। হার্নান্দেজের পাস পাওয়ার আগেই অফ সাইড ছিলেন এমবাপ্পে—স্পেন খেলোয়াড়দের এই দাবি নাকচ করে দেন রেফারি।

তাঁদের ব্যাখ্যা, পাসটা এমবাপ্পে পাওয়ার আগে তা থামানোর চেষ্টা করেছিলেন স্পেন ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া। বলে পা–ও ছোঁয়ান তিনি। এতেই অন সাইড হয়ে যান এমবাপ্পে। যদিও রেফারিদের এ ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট 'হতে পারেননি স্পেন অধিনায়ক সের্হিও বুসকেটস। ব্যাখ্যাটা তাঁর কাছে ‘যুক্তিসংগত ও পরিষ্কার’ মনে হয়নি।

চিরিগিতোকে বুসকেটস বলেন, ‘মাঠে দেখে মনে হয়েছে অফ সাইড। রেফারি বলেছেন, এরিক গার্সিয়া বলটি থামানোর চেষ্টা করায় অফ সাইড নিয়মটি আর খাটেনি। কিন্তু এটা যুক্তিসংগত মনে হয় না। সে বলটিকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করার চেষ্টা করেছে, বলের দখল নিতে পারেনি।’

এরিক গার্সিয়া বলেছেন আরও স্পষ্ট ভাষায়, ‘এটা পরিষ্কার অফ সাইড। রেফারি বলেছেন, আমি বলটা দখলের চেষ্টা করেছি। ওই পরিস্থিতিতে আমি কী করব? জায়গা ছেড়ে দিয়ে তাঁকে (এমবাপ্পে) দৌড়াতে দেব? নিয়ম তো এটাই বলে!’

গোলটা দেখে থাকলে গার্সিয়ার স'ঙ্গে একমত না হয়ে উপায় নেই। চোখের সামনে দিয়ে রক্ষণচেরা পাস দেখে কোন ডিফেন্ডার তা থামানোর চেষ্টা করবেন না?

স্কাই স্পোর্টসের ফুটবল পণ্ডিত, ইংল্যান্ড ও লিভারপুলের সাবেক মিডফিল্ডার জেমি রে'ডন্যাপ ব্যাখ্যা করলেন এভাবে, ‘স্পেনের দেখার জায়গা থেকে এটা মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন। এমবাপ্পের দৌড় শুরুর সময়টা ঠিক ছিল না। কিন্তু গার্সিয়ার পা ছোঁয়ানোই যা করার করেছে।’

রে'ডন্যাপের ব্যাখ্যা, ‘(গার্সিয়ার পা ছোঁয়ানো) নিয়ম অনুযায়ী ওই সময়ে খেলার নতুন পর্ব যোগ হয়েছে।’ অর্থাৎ, হার্নান্দেজের পাস সরাসরি এমবাপ্পে পেলে রেফারি অফ সাইডের বাঁশি বাজাতেন। কিন্তু মাঝে গার্সিয়া পা ছোঁয়ানোয় অফ সাইডের ওই নিয়মটি আর খাটেনি। গার্সিয়ার বল থামানোর চেষ্টা খেলায় নতুন পরিস্থিতি যোগ করেছে।

রে'ডন্যাপ বলেন, ‘গার্সিয়ার তখন আর কী করার ছিল? বল ছেড়ে দেওয়া কি তাঁর উচিত 'হতো? থিও হার্নান্দেজ বলটা ছাড়ার সময় সে (এমবাপ্পে) অবশ্যই অফ সাইড ছিল। কিন্তু গার্সিয়া বলটা ছুঁয়ে ফেলায় খেলায় নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও আমি তা মনে করি না। এটা নিয়মের দুর্বল বাস্তবায়ন। এটা অনৈ'তিক।’

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মা'র্কা’র বিশেষজ্ঞ রেফারি আলফনসো পেরেজ বুরুল, এমবাপ্পের গোলটি কোন নিয়মে বৈধতা পেল তা বোঝেননি। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচারের সময় উয়েফা টিভিতে অফ সাইডের লাইনও দেখায়নি—তাতে বোঝা যেত হার্নান্দেজ পাস দেওয়ার সময় স্প্যানিশ রক্ষণে শেষ ডিফেন্ডারের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন এমবাপ্পে।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের রেফারি ডারমট গালাঘের অবশ্য গোলটিকে বৈধ বলেই মনে করেন। স্কাই স্পোর্টসকে তিনি বলেন, ‘এটা অবশ্যই গোল। যদিও নিয়মটা আমা'র অ'পছন্দ। কিন্তু রেফারি হয়ে নিয়ম তো খাটাতেই হবে। আর নিয়মটাও নতুন কিছু নয়। ফিফা এটা নিয়ে সন্তুষ্ট। তাই এটা চলবে।’

ফুটবলে অফসাইড নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএফএবি) ১১.২ ধা'রায় এ নিয়মের উল্লেখ রয়েছে।

জেমি রে'ডন্যাপ তাই বললেন, ‘এটা ভিএআর প্রযুক্তির ভুল না। নিয়মটাই এমন। প্রায় ১৮ মাস হলো নিয়মটা আছে। বড় ম্যাচে আ মর'া এর আগে এই নিয়মের প্রয়োগ দেখিনি। কিন্তু এ ফাইনালে যেহেতু হলো, তাই বিতর্ক কিংবা আলোচনা তো হবেই।’

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্পোর্টস গসিপ.কম
Theme Customized By Sports Gossip
error: Content is protected !!