1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. hostctg@gmail.com : Sports Editor : Sports Editor
  3. Onlynayeemkhanbd@gmail.com : Admin admin : Admin admin
  4. editor@sports-gossip.com : Edotpr Edotpr : Edotpr Edotpr
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন

যে কারনে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মতো টি-২০ ম্যাচ ইতিহাসে আর নেই

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৪ পঠিত

যে কারনে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মতো টি-২০ ম্যাচ ইতিহাসে আর নেই

চার-ছক্কার ফুলঝুরি যদি হয় আপনার টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দেখার প্রধান উদ্দেশ্য, তাহলে মিরপুরে আজ বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আপনাকে 'হতাশ করেছে নিশ্চিত। চার-ছক্কার ফুলঝুরি দূরে থাক, রানই হয়নি ম্যাচে!

নিউজিল্যান্ড অলআউট হয়ে গেল মাত্র ৬০ রানে, বাংলাদেশ সেটা ৭ উইকেট ও ৩০ বল হাতে রেখে পেরিয়ে গেল। বাংলাদেশের স মর'্থক না হলে তো বটেই, বাংলাদেশের স মর'্থকদের অনেকের কাছেও ম্যাচটা ম্যাড়মেড়ে লেগেছে।

তবে ক্রিকে'টের পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, এই ম্যাড়মেড়ে ম্যাচই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একটা রেকর্ড উপহার দিয়েছে। ‘রেকর্ড’টা অবশ্য কতটা গর্ব করার মতো, সে নিয়ে তর্ক চলতে পারে। কী রেকর্ড?

দুই দলের ব্যাটসম্যানরা মিলিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে কম স্ট্রাইক রেটের। এভাবে দুই দল মিলিয়ে কোনো ব্যাটসম্যানেরই স্ট্রাইক রেট ৮০-এর ঘরে যাব'ে না? এমনটা টি-টোয়েন্টিতে আগে কখনো হয়নি!

একে তো মিরপুরের ধীরগতির পিচ, স্পিনারদের রাজত্ব চলে সেখানে। পাশাপাশি মোস্তাফিজুর রহমানের স্লোয়ার-কা'টারও এখানে সবচেয়ে বেশি বি'ষময়। এ দুইয়ে মিলে নিউজিল্যান্ড শুরুতেই কুপোকাত।

কদিন আগে বাংলাদেশ দল মিরপুরে অস্ট্রেলিয়াকে যেভাবে নাস্তানাবুদ করেছে, সেটি দেখে শিক্ষা নিয়ে আসার দাবি করলেও নিউজিল্যান্ড শিক্ষাটা আজ কাজে লাগাতে পারেনি। মোস্তাফিজ নিলেন তিন উইকেট, নাসুম-সাকিব-সাইফউদ্দিনরা দুটি করে।

তাতে নিউজিল্যান্ড ১৬.৫ ওভারেই ৬০ রানে অলআউট, যা টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের যৌ'থ সর্বনিম্ন ইনিংস। ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের হয়ে যৌ'থভাবে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন টম ল্যাথাম ও হে'নরি নিকোলস।

দুজনই ১৮ রান করেছেন, তাতে ল্যাথাম বল খেলেছেন ২৫টি, নিকোলস ১টি কম। দুজনের স্ট্রাইক রেট ৭০-এর ঘরে। ল্যাথামের ৭২.০০, নিকোলসের ৭৫.০০। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৭০-এর ঘরে স্ট্রাইক রেট ছিল আর শুধু ডগ ব্রেসওয়েলের, ৭ বলে ৫ রান করা ব্রেসওয়েলের স্ট্রাইক রেট ৭১.৪২।

পুরো ইনিংসে কারও স্ট্রাইক রেট ৮০-এর ঘরেই যায়নি! একই অবস্থা তো বাংলাদেশের ইনিংসেও। লক্ষ্য মাত্র ৬১, বাংলাদেশ হয়তো সে কারণেই অত তাড়াহুড়া করেনি।

তার ওপর বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটাও ভালো হয়নি। ৭ রানেই দুই ওপেনার নাইম ও লিটন ফিরে যান। এরপর সাকিব ও মুশফিক মিলে ধীরেসুস্থে বাংলাদেশকে লক্ষ্যের কাছে নিয়ে যেতে থাকেন। সাকিব দলকে ৩৭ রানে রেখে যখন আউট হচ্ছেন, তাঁর নামের পাশে ৩৩ বলে ২৫ রান।

স্ট্রাইক রেট? ৭৫.৭৫। সাকিবের পর মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ মিলে বাংলাদেশকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ১৫তম ওভারের শেষ বলে মুশফিকের বাউন্ডারিতে যখন বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত হলো, মুশফিকের নামের পাশে ২৬ বলে ১৬ রান।

স্ট্রাইক রেট ৬১.৫৩। অন্য প্রান্তে মাহমুদউল্লাহ অ'পরাজিত ছিলেন ২২ বলে ১৪ রান নিয়ে। স্ট্রাইক রেট ৬৩.৬৩। দুই ইনিংস মিলিয়ে ম্যাচে একটি ছক্কাও হয়নি। তা পুরো ম্যাচে একটাও ছক্কা না দেখার রেকর্ড তো টি-টোয়েন্টিতে এর আগেও দেখা গেছে ২৬ বার।

কিন্তু এভাবে দুই দল মিলিয়ে কোনো ব্যাটসম্যানেরই স্ট্রাইক রেট ৮০-এর ঘরে যাব'ে না? এমনটা টি-টোয়েন্টিতে আগে কখনো হয়নি! ক্রিকেট পরিসংখ্যানবিদ কৌস্তভ গু'ড়িপতি টুইট করেছেন এ নিয়ে,

‘বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড হচ্ছে ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে যেখানে কোনো খেলোয়াড়েরই স্ট্রাইক রেট ৯০-এর ওপরে ছিল না। এই ম্যাচে কোনো খেলোয়াড়ের স্ট্রাইক রেট ৮০-এর ওপরেই ছিল না।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্পোর্টস গসিপ.কম
Theme Customized By Sports Gossip
error: Content is protected !!