1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. hostctg@gmail.com : Sports Editor : Sports Editor
  3. Onlynayeemkhanbd@gmail.com : Admin admin : Admin admin
  4. afnafrahel@gmail.com : afnafrahel@gmail.com Sports : afnafrahel@gmail.com Sports
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এইমাত্র পাওয়াঃ মেসিভক্তদের জন্য বিসাল দুঃসংবাদ বার্সালোনার জার্সিতে মাঠে নামা হচ্ছে না মেসির জিম্বাবুয়েকে টি২০ সিরিজ হারিয়ে দেখেনিন বাংলাদেশী ক্রিকেটাররা কে কত টাকার পুরস্কার পেল ১১৭ কোটি টাকার মার্সিডিজ হেলিকপ্টার কিনে তাক লাগালেন নেইমার হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে দুই ক্রিকেটারকে প্রশংসায় ভাসালেন মাহমুদুল্লাহ শামীম পাটোয়ারীর ঝড়ো ব্যাটিং এ নতুন বিশ্বসেরা রেকর্ড গড়ে জিম্বাবুয়েকে হারালো বাংলাদেশ মেসির পর আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ বিশ্বসেরা খেলোয়ারের নাম জানালেন লিওনেল স্কালোনি লালকার্ড দেখে ১০ জনের দল নিয়ে জয় পেল না ব্রাজিল আইপিএলের জন্য বদলে গেল আইসিসির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের ভেন্যু! ছিটকে গেলেন ফিঞ্চ, বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক যিনি কষ্টার্জিত জয় পেল আর্জেন্টিনা

মেসির জন্য জীবন দিতে পারি, মেসির জন্য মরতে পারি

  • সময় সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১
  • ১৩৪ পঠিত

আর্জেন্টিনার ২৮ বছরের শিরোপাখরা ঘুচেছে। লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের একমাত্র আ'ক্ষেপও। আকাশি-সাদা জার্সিটাতে মেসির প্রথম কোনো বড় শিরোপা নিয়ে কাব্য কম হয়নি, চারদিকে বন্দনা মেসির। হবে নাই–বা কেন! আর্জেন্টিনার এবারের

কো'পা আমেরিকা জয় যে পুরোই মেসিময়! সেমিফাইনাল-ফাইনালে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট নিয়ে খেলেছেন মেসি, তবু টুর্নামেন্ট শেষে তিনিই সেরা খেলোয়াড়, যৌ'থভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা, গোল করানোর তালিকায়ও সবার ওপরে মেসি।

তবে আর্জেন্টিনার এত দিনের অ'পেক্ষা ফুরোনোতে সব কৃতিত্ব শুধুই মেসির নয়। সেখানে রদ্রিগো দি পলের নাম আসবে, ব্রাজিলের বিপক্ষে ফাইনালে গোলদাতা আনহেল দি মা'রিয়ার কথা আসবে, আসবে ইনজেকশন নিয়ে ফাইনালে ৭৮ মিনিট খেলা ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, মাঝমাঠে ভরসা জোগানো জিওভান্নি লো সেলসো, নেইমা'রকে আট'কে রাখা রাইটব্যাক গঞ্জালো মন্তিয়েল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস কিংবা টুর্নামেন্টের মাঝপথে এসে ছন্দ খুঁজে নিয়ে ৩ গোল করা স্ট্রাইকার লওতারো মা'র্তিনেজের কথা। একটা দল হয়েই খেলেছে আর্জেন্টিনা!

সে দলে বড় ভরসা হয়ে গোলপোস্টের নিচে ছিলেন এমিলিয়ানো মা'র্তিনেজ। গত জুনেই আর্জেন্টিনা জার্সিতে অ'ভিষেক তাঁর, এক মাস পর কো'পা আমেরিকা শেষে আর্জেন্টিনার নায়কদেরই একজন বনে গেলেন ২৬ বছর বয়সী গোলকিপার। সেমিফাইনালে যেভাবে টাইব্রেকারে তিনটি শট ঠেকিয়েছেন, যে ঢঙে স্লেজিং করেছেন প্রতিপক্ষকে… আর্জেন্টাইনদের হৃদয়ে মা'র্তিনেজের জায়গা করে নিতে আর কী লাগে!

সেই মা'র্তিনেজেরই সাক্ষাৎকার নিয়েছে বিখ্যাত আর্জেন্টাইন ক্রীড়াদৈনিক ওলে। নিজের কথা, মেসিকে নিয়ে মুগ্ধতার কথা, আর্জেন্টিনার শিরোপার উচ্ছ্বাস…কত কিছু নিয়েই না কথা বলেছেন আর্জেন্টাইনদের প্রিয় ‘দিবু’। স্প্যানিশ ভাষার সেই সাক্ষাৎকার আবার প্রস'ঙ্গ ধরে ধরে দুই পর্বে ভাষান্তরিত করে ইংরেজিতে দিচ্ছে আর্জেন্টিনার ফুটবলবি'ষয়ক বিখ্যাত আরেক ওয়েবসাইট মুন্দো আলবিসেলেস্তে। সেটির প্রথম পর্ব প্রকাশিত হয়েছে গতকাল, বাংলাদেশি পাঠকদের জন্য তা তুলে ধ’রা হলো…

আর্জেন্টিনার ২৮ বছরের শিরোপাখরা ঘুচেছে। লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের একমাত্র আ'ক্ষেপও। আকাশি-সাদা জার্সিটাতে মেসির প্রথম কোনো বড় শিরোপা নিয়ে কাব্য কম হয়নি, চারদিকে বন্দনা মেসির। হবে নাই–বা কেন! আর্জেন্টিনার এবারের কো'পা আমেরিকা জয় যে পুরোই মেসিময়! সেমিফাইনাল-ফাইনালে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট নিয়ে খেলেছেন মেসি, তবু টুর্নামেন্ট শেষে তিনিই সেরা খেলোয়াড়, যৌ'থভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা, গোল করানোর তালিকায়ও সবার ওপরে মেসি।

তবে আর্জেন্টিনার এত দিনের অ'পেক্ষা ফুরোনোতে সব কৃতিত্ব শুধুই মেসির নয়। সেখানে রদ্রিগো দি পলের নাম আসবে, ব্রাজিলের বিপক্ষে ফাইনালে গোলদাতা আনহেল দি মা'রিয়ার কথা আসবে, আসবে ইনজেকশন নিয়ে ফাইনালে ৭৮ মিনিট খেলা ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, মাঝমাঠে ভরসা জোগানো জিওভান্নি লো সেলসো, নেইমা'রকে আট'কে রাখা রাইটব্যাক গঞ্জালো মন্তিয়েল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস কিংবা টুর্নামেন্টের মাঝপথে এসে ছন্দ খুঁজে নিয়ে ৩ গোল করা স্ট্রাইকার লওতারো মা'র্তিনেজের কথা। একটা দল হয়েই খেলেছে আর্জেন্টিনা!

সে দলে বড় ভরসা হয়ে গোলপোস্টের নিচে ছিলেন এমিলিয়ানো মা'র্তিনেজ। গত জুনেই আর্জেন্টিনা জার্সিতে অ'ভিষেক তাঁর, এক মাস পর কো'পা আমেরিকা শেষে আর্জেন্টিনার নায়কদেরই একজন বনে গেলেন ২৬ বছর বয়সী গোলকিপার। সেমিফাইনালে যেভাবে টাইব্রেকারে তিনটি শট ঠেকিয়েছেন, যে ঢঙে স্লেজিং করেছেন প্রতিপক্ষকে… আর্জেন্টাইনদের হৃদয়ে মা'র্তিনেজের জায়গা করে নিতে আর কী লাগে!

সেই মা'র্তিনেজেরই সাক্ষাৎকার নিয়েছে বিখ্যাত আর্জেন্টাইন ক্রীড়াদৈনিক ওলে। নিজের কথা, মেসিকে নিয়ে মুগ্ধতার কথা, আর্জেন্টিনার শিরোপার উচ্ছ্বাস…কত কিছু নিয়েই না কথা বলেছেন আর্জেন্টাইনদের প্রিয় ‘দিবু’। স্প্যানিশ ভাষার সেই সাক্ষাৎকার আবার প্রস'ঙ্গ ধরে ধরে দুই পর্বে ভাষান্তরিত করে ইংরেজিতে দিচ্ছে আর্জেন্টিনার ফুটবলবি'ষয়ক বিখ্যাত আরেক ওয়েবসাইট মুন্দো আলবিসেলেস্তে। সেটির প্রথম পর্ব প্রকাশিত হয়েছে গতকাল, বাংলাদেশি পাঠকদের জন্য তা তুলে ধ’রা হলো…

Emiliano Martinez on Lionel Messi: “I want to give him life, I want to die for him.”

— Roy Nemer (@RoyNemer) July 18, 2021
কো'পা আমেরিকা জয়ে তাঁর উন্মাতাল উদ্‌যাপন
এমিলিয়ানো মা'র্তিনেজ: (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে) মিম দেখে এটা বুঝতে পেরেছি। আমি মাঠে কী বলেছিলাম (কলম্বিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনালে টাইব্রেকারের সময়ে) এটা দেখে মানুষ খুব চমকে গেছে, কিন্তু আমা'র কাছে এটা স্বাভাবিকই। যারা আমাকে চেনে, তারা জানেন মানুষ হিসেবে আমি কেমন। কারও জন্যই আমি বদলাব না। যা করি, তা অনেক প্যাশন নিয়েই করি। সেটির জন্য লড়াইয়ে কোনো বাধা মানি না। মাঠে দর্শক না থাকায় সবাই সবকিছুই শুনতে পাচ্ছে।

আমি যা বলেছি, তার কিছুই একেবারে অভাবনীয় কিছু নয়। আমি শুধু পেনাল্টি কিক নিতে আসা খেলোয়াড়ের স'ঙ্গে কথা বলেছি। আগে এটা সেভাবে দেখা যায়নি, কিন্তু আমি এটা সব সময়ই করি। প্রতিপক্ষকে ভড়কে দেওয়ার জন্য করি না, করি নিজেকে সাহস জোগাতে, নিজেকে অনুপ্রাণিত করতে। জানি, আমি টাইব্রেকারে পাঁচটা শটের মধ্যে তিনটা ঠেকিয়েছি বলে—চিলির বিপক্ষে ম্যাচে পেনাল্টি হিসেবে নিলে ছয়টির মধ্যে চারটি—মানুষ আমা'র এসব কথাতে অনেক মজা পাচ্ছে।

কিন্তু জানি, তখন পর্যন্ত আমি আর্জেন্টিনা দলে ছয় কি সাতটা ম্যাচই খেলেছি। তখনো কিছু জিতিনি। ফাইনালে যাওয়ার পর যদি সেখানে কোনো উল্টোপাল্টা কিছু 'হতো, তখন এসবের দাম কি থাকত? কিছুই না! মানুষের এখন এসব ভালো লাগছে আ মর'া ফাইনাল জিতেছি বলে। সেমিফাইনালে আমি ভাগ্যবান ছিলাম বলে পাঁচটার মধ্যে তিনটা শট ঠেকাতে পেরেছি।

কিন্তু যদি ফাইনালে আমি বড় কোনো ভুল করতাম বা ভুল করেও ভাবতাম ‘ব্যাপার না, পুরো দুনিয়া তো এখন আমাকে চেনে’, সে ক্ষেত্রে ফাইনালে হেরে গেলে কোনো লাভই 'হতো না। ওই ম্যাচে ওই মুহূর্তে আমি অনেক রোমাঞ্চিত ছিলাম। সংবাদমাধ্যম, মানুষ, মিম…সবকিছু একপাশে সরিয়ে রেখে শুধু তা-ই করেছি, যেটা আমি সব সময় করি। যেটা আমি আর্সেনাল, রেসিং বা অ্যাস্টন ভিলায় করি। সত্যিটা হচ্ছে, মানসিক ও শারীরিকভাবে আমি সে সময়ে অনেক বেড়ে উঠেছি। আজ এই মুহূর্তে নিজেকে নিয়ে একটা ভালো লাগা কাজ করছে। এভাবে আরও উন্নতি করে যেতে হবে।

এমিলিয়ানো মা'র্তিনেজকে সবাই যেভাবে চেনে
মা'র্তিনেজ: এটা স্বাভাবিক। মানুষ গ্রে'ট আর্জেন্টাইন গোলকিপারদের মনে রেখেছে এমন ব্যবধান গড়ে দেওয়া মুহূর্তগু'লোতে তাঁদের অবদানের জন্যই। গোলকিপারদের জীবনটাই এমন। সবাই নাম্বার নাইন বা নাম্বার টেনকে মনে করে। গোলকিপাররা সব সময় আড়ালেই থেকে যায়। গোলকিপারের গোলকিপার হওয়াও তো কোনো একটা কারণেই, তাই না? কারণ, সে নাম্বার টেনের মতো বল পায়ে অত ভালো খেলতে পারবে না।

কিন্তু আজ মানুষ আমাকে আমা'র কোনো একটা কথা বা কোনো একটা শট ঠেকানোর জন্য মনে রাখছে। বলছে, দিবু (মা'র্তিনেজের ডাকনাম) একটা সেভ করেছে। এমন কিছু মানুষ পাতোকে (২০০৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার গোলকিপার রবার্তো আবোনদানজিয়েরির ডাকনাম) নিয়ে বলতে শুনতাম। কোনো গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়ে দারুণ কোনো সেভ করলে মানুষ বলত, এই ছেলেটা পাতো কিংবা গয়চোর (১৯৯০ বিশ্বকাপের গোলকিপার সের্হিও গয়কোচিয়া) মতো সেভ করেছে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে দারুণ কিছু দেখানোর কারণে ওই গোলকিপারদের মানুষ মনে রেখেছে।

বা চিকিতোকে (২০১৪ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার গোলকিপার সের্হিও রোমেরো) হাভিয়ের মাচেরানো যে কথাটা বলেছিলেন, যে কথাটা তাঁকে পেনাল্টি (২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে) ঠেকাতে সাহস জুগিয়েছিল, ওই কথাগু'লোই ভেবে দেখু'ন।

লিও (মেসি, কলম্বিয়ার বিপক্ষে কো'পার সেমিফাইনালে টাইব্রেকারের সময়ে) ও রকম করে আমাকে এসে জড়িয়ে ধরে বলেছিল, দেখো, তুমি ঠিকই একটা শট ঠেকিয়ে দেবে! আপনার দলে যখন এমন অমিত প্রতিভাবান একজন খেলোয়াড় থাকে, যে কিনা প্রতি ম্যাচে আপনার দলকে উ'দ্ধার করে, আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জন্য সবকিছু নিংড়ে দেয়, তাকে ফাইনালে তুলতে একেবারে কম হলেও তো এতটুকু করতেই হয়! এটাই করতে চেয়েছি আমি।

লিওনেল মেসির অন্য কোনো দিক তাঁর মনে দাগ কে'টেছে কি না
মা'র্তিনেজ: উরুগু'য়ের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘ওদের ক্রসগু'লো সামলে নিয়ো, ওরা ক্রসে অনেক আগ্রাসী।’ অধিনায়ক হিসেবে অনেক নির্দেশনা দেন তিনি, আমা'দের সবাইকে সাহায্য করেন।

(সেমিফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে) তিনি পেনাল্টিতে গোল করার পর চাইলেই আবার ফিরে সোজা মাঝবৃত্তের দিকে চলে আসতে পারতেন, কিন্তু সেটা না করে তিনি আমা'র দিকে গেলেন, বললেন, ‘দেখো, তুমি ঠিকই একটা শট ঠেকিয়ে দেবে!’ পরের শটটাই ঠেকিয়ে দিলাম আমি! তাঁর প্রভাব এমনই। এটাকে শব্দে ব্যাখ্যা করা কঠিন। এতটুকু বলি, তিনি অসাধারণ একজন অধিনায়ক, দুনিয়ার সব দলই তাঁকে অধিনায়ক হিসেবে পেতে চাইবে।

ইনস্টাগ্রামে মা'র্তিনেজকে নিয়ে মেসির আবেগপ্রবণ পোস্ট
মা'র্তিনেজ: ওটা দেখে আনন্দে বাকরু'দ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। এই শব্দগু'লো, এই ছবিগু'লো এমন যেগু'লো আপনি সারা জীবন নিজের কাছে রাখতে চাইবেন। ওর স'ঙ্গে আমা'র আলি'ঙ্গনের ছবি, এমন ছবি সারা জীবন রেখে দেওয়ার মতো। শুধু ইনস্টাগ্রাম পোস্টই নয়, সেমিফাইনালেও তিনি এসে আমাকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। (সেমিফাইনালের পর) সংবাদমাধ্যমের সামনেও আমাকে নিয়ে বলেছিলেন, এরপর ইনস্টাগ্রামে ছবি। এসব কিছু ফাইনালে আমাকে ঝাঁপিয়ে পড়তে, আরও ভালো করতে প্রেরণা জুগিয়েছে। আমাকে শক্তি জুগিয়েছে।

মেসির পোস্ট দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন কি না
মা'র্তিনেজ: তিনি যে একটা ছবি দিয়ে ক্যাপশনে লিখলেন, ‘ও একটা ফেনোমেনন’, এরপর ফাইনালে কীভাবে আমি ভালো না খেলি! তাঁর জন্য আমি জীবন দিতে পারি, মর'তে পারি। চার-পাঁচ মাসে আগেও বলেছিলাম যে আমা'র আগে তিনিই কো'পা আমেরিকা জিতলে আমি বেশি খুশি হব (তখনো আর্জেন্টিনা দলে ডাক পাননি মা'র্তিনেজ)। এটা মন থেকেই বলেছি, প্রত্যেক আর্জেন্টাইনই এটাই বলবে। আমা'র মনে হয়, ব্রাজিলিয়ানরাও আর্জেন্টিনাকে কো'পা জিততে দেখতে চেয়েছিল শুধু মেসির কারণে। আর সেখানে একজন আর্জেন্টাইন চাইবে না মেসি এটা জিতুক? শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়েছে। এখন আমা'র স্বপ্ন, আ মর'া তাঁকে যেন বিশ্বকাপটাও উপহার দিতে পারি।

দি পল বলেছিলেন, অনুশীলনে মেসিকে কখনো হারতে না দেখা তাঁকে চমকে দিয়েছে। মেসির কোন দিকটি মা'র্তিনেজকে চমকে দিয়েছে?
মা'র্তিনেজ: (টুর্নামেন্টে টানা ৪৫ দিন জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকার সময়ে) আ মর'া ট্রুকো (কার্ডের খেলা) খেলতাম। মা'র্চেসিন, মুসো আর আমি এক দলে, অন্য দিকে মেসি, পারেদেস আর দি পল। ২০-৩০ রাতে আ মর'া ট্রুকো খেলেছি।

তিনি আর দশজন মানুষের মতোই! অসাধারণ একজন মানুষ, যিনি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে কিছু জিততে খুব করে চাইতেন, সম্ভবত জাতীয় দলে অন্য যে–কারও চেয়ে বেশি করে চেয়েছেন। তাঁর এই চাওয়াটাই আমা'দের মধ্যে ছড়িয়ে গেছে। আমা'দের গ্রুপটাতে নতুন অনেক খেলোয়াড় এসেছে, সবার মধ্যে এই মানুষটার জেতার বাসনা ছড়িয়ে গেছে। এরপর আ মর'া কিছু জেতার জন্য ঝাঁপিয়ে না পড়ি কীভাবে?

লিওনেল মেসি কেমন, তাঁর স'ঙ্গে খেলার অ'ভিজ্ঞতা কেমন
মা'র্তিনেজ: আপনারাই লিখেছেন, আমি এমন একজন আর্জেন্টাইন, যে কিনা তার স্বপ্ন ছুঁতে পেরেছে। সেটার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই থামাইনি। আমি জানি না লিও আর কতগু'লো কো'পা আমেরিকা বা বিশ্বকাপ খেলতে পারবে, অন্তত একটা কো'পা আমেরিকা তাঁর পাশে খেলতে পারা…কো'পা আমেরিকায় যখন আমা'র অ'ভিষেক হয়েছে, আমি তখনই বলেছিলাম, আমা'র স্বপ্ন ছোঁয়া হয়ে গেছে।

এরপর আ মর'া শিরোপাও জিতলাম, এটা আমি কল্পনাতেও ছিল না। বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের স'ঙ্গে যেকেউই খেলতে চাইবে, আর একই দলে থেকে তাঁকে খেলতে দেখা (গোলপোস্টে) আমাকে আরও ভরসা দিয়েছে, খেলোয়াড় হিসেবে আমাকে আরও ভালো বানিয়েছে।

আপনারাই লিখেছেন, তিনি অন্য খেলোয়াড়দের ভালো খেলতে সাহায্য করেন। সেটা সাধারণত মাঠের অন্য নয়জনকে নিয়ে বলা হয়, কিন্তু তিনি আমাকেও ভালো খেলতে সাহায্য করেছেন, অথচ আমি একজন গোলকিপার! আমা'র মনে হয়, যদি তাঁর স'ঙ্গে একই লিগে প্রতি ম্যাচ খেলতে পারতাম! গোলকিপার হিসেবে আরও ভালো হয়ে উঠতাম।

অ্যাস্টন ভিলায় দারুণ মৌসুম শেষে জাতীয় দলের স'ঙ্গে ৪৫ দিন ছিলাম। অ্যাস্টন ভিলায়ও আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করেছি আমি, কিন্তু জাতীয় দলে আরও ১০ থেকে ১৫ শতাংশ উন্নতি করেছি। ছোটবেলায় আপনি ‘ ড্রা'গন বল জি’ (জাপানিজ অ্যানিমে টিভি সিরিজ) দেখেছেন? আমি সেখানকার ভেগেটা ছিলাম, মেসির স'ঙ্গে খেলার সময়ে আমি সেখান থেকে সুপার সাইয়ান হয়ে গেলাম!

লিয়ান্দ্রো পারেদেস বলেছেন মেসি মাঠে যা করেন, দেখে অবিশ্বা'স্য লাগে। মা'র্তিনেজের চোখে মেসির এমন অবিশ্বা'স্য কিছু আছে?
মা'র্তিনেজ: ঠিক কোনো নির্দিষ্ট মুভ দিয়ে উত্তর দেওয়া যাব'ে না। ফ্রি-কিকের কথা ধরুন, মেসির ফ্রি-কিক নেওয়া মানেই গোল হওয়ার পথে অর্ধেক এগিয়ে যাওয়া। একটা ডেড বল এটা, এটাতে তিনি ক্রস ঠিকঠাক লাগাতে পারলেই গোল। তিনি যখন বল পায়ে পান, আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন যে তিনি সহজে বল হারাবেন না।

ধরুন আ মর'া ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ১-০ গোলে এগিয়ে আছি, মেসি বলটা নিয়ে প্রতিপক্ষ কর্নারের দিকে চলে যাব'েন। তখনো ম্যাচের পাঁচ মিনিট বাকি থাকলেও আপনি ধরে নিতে পারেন আ মর'া ম্যাচটা জিতে গেছি।

এই ব্যাপারগু'লোই আপনাকে অনেক নির্ভরতা দেবে। অ্যাস্টন ভিলায় আ মর'া কিছু ম্যাচ হেরেছি ৯১-৯২তম মিনিটে গোল খেয়ে। কিন্তু এখানে প্যারাগু'য়ে কিংবা উরুগু'য়ের মতো দলের বিপক্ষে ৮৯তম মিনিটেও বলটাকে আ মর'া ওদের কর্নারের দিকে নিয়ে যাওয়া মানে ধরে নেওয়া যায় আ মর'া ১-০ গোলে জিতছি। এই ব্যাপারগু'লো স্বস্তি দেয়। এই যে ছোট ছোট ব্যাপার, এগু'লো আমা'দের সবাইকে নির্ভার হয়ে আরও ভালো খেলতে সাহায্য করেছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | স্পোর্টস গসিপ.কম
Theme Customized By Sports Gossip
error: Content is protected !!